বিজনেস আইডিয়া

স্বল্প খরচে ফটো স্টুডিও ব্যবসা

শহরে কিংবা গ্রামে যে যেখানেই থাকিনা কেন প্রতি দিনের কাজে ছবি একটি প্রয়োজনীয় উপাদান হয়ে গেছে। অধিকাংশ কজে প্রতিনিয়ত মানুেষের ছবির প্রয়োজন হয়। তাই ছবি তোলার জন্য মানুষ নিকটবর্তী বাজারে চলে যায় যেখানে ডিজিটাল ফটো স্টুডিও রয়েছে। আজ আপনাদের সাথে আলাপ করার চেষ্টা করবো কিভাবে খুবই কম খরচে একটি ডিজিটাল ফটো স্টুডিও স্থাপন করতে পারেন।

যে সকল বিষয় থাকছে…

ডিজিটাল স্টুডিওর প্রয়োজনীতা
ডিজিটাল স্টুডিওর জন্য উপযোক্ত স্থান
ডিজিটাল স্টুডিওর জন্য প্রয়োজনীয় মালামাল
ডিজিটাল স্টুডিও করতে কতটাকা খরচ হতে পারে?
ডিজিটাল স্টুডিওর সাথ্যে অন্য কি ব্যবসা করা যায়?
ডিজিটাল স্টুডিও করতে কিকি জ্ঞান থাকা জরুরী?

ডিজিটাল স্টুডিওর প্রয়োজনীতা- প্রত্যেক এলাকাতেই কম বেশি ডিজিটাল স্টুডিওর প্রয়োজন রয়েছে। স্কুল কলেজে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি, রেজিষ্ট্রেশন, ফরম ফিলআপ, চাকুরীর আবেদনসহ বিভিন্ন কাজে প্রতিনিয়ত ছবির প্রয়োজ। যদিও বর্তমানে শৌখিন ছবির চাহিদা খুবই কম তবুও অফিসিয়াল ছবির চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে।

ডিজিটাল স্টুডিওর জন্য উপযোক্ত স্থান- ডিজিটাল স্টুডিওর জন্য সব থেকে উপযুক্ত জায়গা হলো অফিস আদালত বা স্কুল কলেজের নিকটবর্তী স্থান। তবে স্কুল কলেজ বা অফিস আদালতের কাছাকাছি বাজারেও দোকান দেয়ার মধ্যমে ডিজিটাল স্টুডিও নির্মান করা যায়।

ডিজিটাল স্টুডিওর জন্য প্রয়োজনীয় মালামাল ও আনুমানিকমূল্য- ডিজিটাল স্টুডিও নির্মানের জন্য কিছু অতীব দরকারী জিনিস পত্রের প্রয়োজন, যা ছাড়া ডিজিটাল স্টুডিও তৈরী করা অসম্ভব। নিচে এমন কিছু জিনিসের নাম ও তার আনুমানিক মূল্য তালিকা দেয়া হলো।

প্রয়োজনীয় মালামালআনুমানিক মূল্য
কম্পিউটার১৫০০০-২৫০০০/-
ক্যামেরা৫০০০-২৫০০০/-
প্রিন্টার৫০০০-৩০০০০/-
লাইট১০০০-১০০০০/-
অন্যান্য৫০০০-১৫০০০/-
মোট৩১০০০-১০৫০০০/-
ডিজিটাল স্টুডিওর জন্য প্রয়োজনীয় মালামাল ও আনুমানিকমূল্য

তবে আপনি অর্থিক ভাবে অস্বচ্ছল হলে প্রথমিক ভাবে ক্যামেরা বাদ দিতে পারেন। ক্যামেরার বদলে আপনার সার্ট ফোনটিতে ভালো ক্যামেরা থাকলে সেটি ব্যবহার করতে পারেন। মনে রাখবেন, ক্যামেরার কাজ কখনই মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে সম্ভব নয়।

ডিজিটাল স্টুডিওর সাথ্যে অন্য কি ব্যবসা করা যায়- স্থান কাল পাত্র বিবেচনা পূর্বক এই ব্যবসার সাথে অন্যান্য অনেক ধরণের ব্যবসা শুরু করতে পারেন। আর এ সকল সাইট বিজনেস গুলো কিছু দিনের মধ্যে আপনার গ্রহকদের চাহিদা দেখে নিজিই নির্ধারণ করতে পারবেন বলে আশা করি। তবে কমন যে কাজগৃুলো করতে পারেন তা হলো, অনলাইন আবেন, মেইল আদান-প্রদান, কম্পিউটার কম্পোজের মতো কম্পিউটার রিলেটেড কাজগুলো করতে পারেন।

ডিজিটাল স্টুডিও করতে কিকি জ্ঞান থাকা জরুরী?– এ প্রশ্নের জবাবে বলবো, তেমন বড় কোন অভিজ্ঞতা থাকার দরকার নেই। আপনার ক্যামেরা ব্যবহার করতে জানতে হবে, যাতে ক্যামেরা দিয়ে একটি ছবি খুব ভালো ভাবে তুলতে পারেন। ছবি সুন্দর করা বা নির্ধারিত সাইজ করার জন্য ফটো এডিটিং জানতে হবে। বিভিন্ন সফটওয়্যার দিয়ে ছবি এডিট করা যায়, তবে আমাদের দেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এডবি ফটোশপের চাহিদা খুব বেশি এবং ফটোশপ ব্যবহার করা খুব সহজ তাই আপনি এডবি ফটোশপ ব্যবহার করা শিখে নিতে পারেন। এ বিষয়ে ইউটিউবে অনেক অনেক টিউটোরিয়াল রয়েছে, সেখান থেকে শিখে নিতে পারেন।

আশা করি আজকের পোষ্টটি আপনার কাজে আসবে। কোন ব্যপারে আপনার আরো কিছু জানার থাকলে তা অবশ্যই মন্তব্য করে জানাতে ভুলবেননা।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *